আপিস ফেরতা জনপদের বৃষ্টিস্নানের শব্দে জাগে তীব্র রামধনুলোভ ,
অব্যক্ত , অদম্য ।
রাতের শহর ফর্মালিটির মেক আপ , ধুলো – ধোঁয়া ধুয়ে
হাল্কা হলে
আমি কনট্রাস্ট খুঁজেছি বহুভাবে, বহুবার -
ঠিক সেই বর্ণালী ,
যেখানে ভোগ্যপণ্য আর জীবন ডি এন এ -র দুই
তন্তুর মতো জড়াজড়ি করে মিশে যাচ্ছে
কোনও এক সঙ্গমে ।
এই ক্রোমাটোগ্রাফিক্যাল মিলনের কোনও দলিল নেই , কোনও আর্কাইভ এর খোঁজ রাখেনি ।
তুমিও চেয়েছ , আর আমিও -
বন্ধ আলমারি সাফসুতরো হলে কোনও এক কোণ থেকে
উঁকি দেবে বয়ঃসন্ধির ক্রনিকল ;
মলাট থেকে মলাটে কিছু অকৃত্রিম রঙ ,
গাঢ় , উষ্ণ এবং স্পেকট্রামে লাল ঘেঁষা -
নিজের ক্রোমোজম কে না ভালবাসে ।
আশায় বুক বেঁধে পকেটমানি খসিয়ে ট্যাক্সি নিয়েছি
দুজনেই ,
খুঁজতে বেরিয়ে এসেছি ,
হলই বা
ভিন্ন দুই পথে , ভিন্ন শহরে
।
তুমিও দেখেছ , আর আমিও -
সিক্ত শহরে সার বেঁধে রণপা-ওলা গাড়ি ।
কখনো দাঁড়িয়ে আছে, কখনো এগিয়ে চলেছে
হলুদ , লাল – ভীষণ লম্বা সব পা গুলো ,
ঘন কালো ব্যাক গ্রাউন্ডে অসামান্য সব পপ্লিনের
পাজামা ।
ওরা কতোটা দূর যায়, কোথায় বাঁক নেয় , দাঁড়িয়ে ঘুমায় কিনা -
এসব জানতে চেয়ে এগিয়েছি যখন পথ আটকেছে
সিগ্ন্যালপোস্টের পায়ের তলায়
ঢেউ খেলে যাওয়া রুহ – আফজা শরবত ।
শরবত চোখ দিয়ে চেখে ঠাণ্ডা হচ্ছি , তুমিও ; শর্করাভয়হীন ।
এমন সময় প্রচণ্ড জোরে হুঁশিয়ারি শব্দ ।
ভাব্লাম যুদ্ধ লাগলো বুঝি ।
ফিরে দেখি সার সার ডাকাবুকো গাড়ি , সবাই রণপা-ওলা ,
চলেছে ক্লান্তিহীন, ক্লান্তিকর রাতের অভিসারে
।